বাংলাদেশের বিচারপতিদের অভিসংশন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত হয় সংবিধানের যে সংশোধনীতে-
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ষোড়শ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ষোড়শ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
’বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
বলাকা, কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ও প্রতিভা ইত্যাদি গমের জাত।
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত হয় সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীতে।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী গৃহীত হয়: ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর।
- ৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে রাখা হয়েছিল। এরপর ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এরপর ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়, যাতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পায় সংসদ।
- পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়। ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে। এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।
উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
রেফারেন্স মাত্র
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন