মেরুদন্ডী প্রাণী: (ক) মৎস্যকুল: - এ দলের প্রাণীরা পানিতে বাস করে। দেহ আঁশ দিয়ে ঢাকা। ফুলকার সাহায্যে শ্বাস কাজ চালায়। যেমন- রুই, কাতল, পুঁটি।
(খ) উভচর প্রাণী: - এসব প্রাণী পানিতে এবং ডাঙ্গায় বসবাস করে। জীবনচক্রের একটা অংশ এদের পানিতে বিকাশ লাভ করে। যেমন- ব্যাঙ।
(গ) সরিসৃপ: - এরা বুকে ভর দিয়ে চলাফেরা করে। যেমন- কুমির, টিকটিকি।
(ঘ) পাখি: - এসব প্রাণীর দেহ পালকে ঢাকা থাকে। যেমন- ময়না, টিয়া, ঘুঘু।
(ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী: - এসব প্রাণী মায়ের দুধ পান কর। যেমন- বাদুড়, তিমি, মানুষ।
অমেরুদন্ডী প্রাণী: ১. প্রোটোজোয়া: - এরা এককোষী আদি প্রাণী। যেমন- অ্যামিবা, ম্যালেরিয়া জীবাণু।
২. পরিফেরা: - এসব প্রাণীর দেহ অসংখ্য ক্ষুদ ক্ষুদ্র ছিদ্র যুক্ত। এরা জলে বাস করে। যেমন- স্পনজিলা।
৩. সিলেনটারেটা: - এ পর্বের বেশির ভাগ প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহের মেলো দিকটা মুখ হিসেবে কাজ করে। মুখের চারদিকে টেন্টাকল আছে। যেমন- হাইড্রা, জেলীফিস।
৪. প্লাটিহেলমিনথিস: - এ পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের দেহ ফিতার মত চ্যাপ্টা। এরা সাধারণত পরজীবী। যেমন- ফিতাকৃমি।
৫. নেমাথেলমিনথিস: - এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নলাকৃতি ও অখণ্ডিত। এরা সাধারণত পরজীবী। যেমন- কেঁচোকৃমি।
৬. অ্যানিলিডা: - এ জাতীয় প্রাণীদের দেহ নরম এবং রিং বা বলয়ের মত খণ্ড খণ্ড অংশ দিয়ে গঠিত। যেমন- কেঁচো, জোঁক।
৭. আর্থোপোডা: - এ পর্বের প্রাণীদের দেহ শক্ত আবরণে ঢাকা এবং এদের সন্ধিযুক্ত পা রয়েছে। যেমন- চিংড়ি, তেলাপোকা।
৮. একাইনোর্ডামাটা: - এসব প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহ কাটাযুক্ত। যেমন- তারামাছ।
৯. মলাস্কা: - এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নরম কিন্তু শক্ত খোলস দিয়ে আবৃত। যেমন- শামুক, ঝিনুক।
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।