মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ গ্রন্থে কোন লেখকের রচনার প্রভাব লক্ষ করা যায়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’:
- ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’ (১৯০০) হলো মীর মশাররফ হোসেনের একটি আত্মজীবনীমূলক ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- এই গ্রন্থে লেখক তাঁর নিজ জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে সমাজের বিভিন্ন অন্যায়, অনাচার, দুর্নীতি এবং নৈতিক অবক্ষয় তুলে ধরেছেন।
- লেখক এখানে নিজেকে ‘ভেড়াকান্ত’ নামে উপস্থাপন করেছেন, যা তাঁর ব্যঙ্গাত্মক দৃষ্টিভঙ্গির একটি অংশ।
- এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতীকী চরিত্র ও কল্পিত স্থান যেমন— আলকাতরা সান্যাল, কটা পেস্কার, জয়ঢাক, ছিড়িয়া খাতুন, অরাজকপুর, নচ্ছারপুর, জমদ্বারগ্রাম ইত্যাদির মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও কলুষতা তুলে ধরা হয়েছে।
- এতে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কমলাকান্তের দপ্তর’-এর প্রভাব লক্ষ করা যায়।
------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের প্রচলিত ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়া’।
- তিনি আরও যেসব ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন: গৌড়তটবাসী মশা, উদাসীন পথিক।
- তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৪৩), পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।
• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা সাহিত্য বিষয়ের আরও প্রশ্ন