ঔষধ শিল্প: - দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে। - ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। - এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়। - তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়। - বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না। - এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ। - বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। - বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। - সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।
এছাড়াও, - বর্তমানে দেশে ২১৩ ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে। - এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ। - বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫০ দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়। - এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।
উল্লেখ্য, - ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল। - সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে। - ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়। - ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। - বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। ii) ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো।