• ই-কমার্স: - ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স। - ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স। - Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা: ১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B), ২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C), ৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B), ৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও ৫. এম-কমার্স (M-commerce).
• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ: - ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে। - ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন। - ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই। - আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই। - মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। - ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে। - ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা: - Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট। - Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট। - Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।