হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:- ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি তৃতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বতন্ত্র, স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে আন্দোলনে যোগ দেন।
- যদিও এই উদ্যোগ বাতিল হয় কিন্তু পরবর্তীতে এটিই একজন জাতির পিতার স্বপ্নের রাষ্ট্র গড়ার ভিত্তি হয়ে ওঠে।
- অন্যান্যদের মত ভারত ভাগের পরপরই শেখ মুজিবুর রহমান তড়িঘড়ি করে পূর্ববঙ্গে (পূর্ব পাকিস্তানে) আসেন নি, বরং কয়েক সপ্তাহ তিনি কলকাতায় অবস্থান করেন।
- বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে মহাত্মা গান্ধীর শান্তি মিশনে যোগ দেন।- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলা হয়। তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- পরে পাকিস্তান সৃষ্টি হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনে যাদের প্রত্যক্ষ প্রভাব ছিল, তাদের মধ্যে একজন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
এছাড়া,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- হাজী মোহাম্মদ দানেশ ছিলেন বামপন্থী রাজনীতিবিদ।
উৎস: মুজিব জন্মশতবর্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]