মুক্তিযুদ্ধে ১নং সেক্টরের কতটি সাব-সেক্টর ছিলো?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৫টি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৫টি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
- ১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এই সেক্টরের পাঁচটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
→ ঋষিমুখ (ক্যাপ্টেন শামসুল ইসলাম);
→ শ্রীনগর (ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান এবং পরে ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান);
→ মনুঘাট (ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান);
→ তবলছড়ি (সুবেদার আলী হোসেন);
→ ডিমাগিরী (জনৈক সুবেদার)।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার। এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।
এছাড়াও,
- ২ নং সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৩নং সেক্টরের দশটি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৪নং সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৫নং সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৬নং সেক্টরের পাঁচটি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৭নং সেক্টরের আটটি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৮নং সেক্টরের সাতটি সাব-সেক্টর ছিল।
- ৯নং সেক্টরের তিনটি সাব-সেক্টর ছিল।
- ১১নং সেক্টরের আটটি সাব-সেক্টর ছিল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন