- ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণাদল। - প্রথমে তোষা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কৃত হয়। - ২০১৩ সালে মাকসুদুল আলম দ্বিতীয় ধাপে দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন। - যার মাধ্যমে প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক (জন্মগত) বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা জানা যায়। - ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স জীবনরহস্য উন্মোচন করা। - যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির অণুজীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন মাকসুদুল আলম। - ২০০৮ সালে এই গবেষণার সূত্রপাত হয়। স্বপ্নযাত্রা নামে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১১ জন গবেষক ও ২০ জন তথ্য-প্রযুক্তিবিদ।