ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সার্ভিস মডেল: - সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS), ২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service PaaS), ৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS).
১) অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service- laaS): - ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
উদাহরণ: - Amazon Web Services (AWS), - Microsoft Azure, - Google Cloud Platform (GCP).
২) প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Service - PaaS): - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। - অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
উদাহরণ: - Heroku, - Google App Engine, - Microsoft Azure App Service.
৩) সফটওয়্যার সেবা (Software as a Service - SaaS): - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
উদাহরণ: - Salesforce, - Microsoft 365, - Google Workspace.
উৎস: ১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ২) সংশ্লিষ্ট ওয়য়েবসাইট।