মূল বিষয়বস্তুতে যান

'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কত সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়?

সঠিক উত্তর

১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে

সঠিক উত্তর: ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

বাংলা সাহিত্য ১ নম্বর

মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?

বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাশ।
- এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে মোট ৪১৮টি পদ রয়েছে (খণ্ডিতসহ)।
- এতে ১৬১টি সংস্কৃত শ্লোক সংযোজিত।
- পুঁথির মোট পাতা ২২৬টি, অর্থাৎ পৃষ্ঠা ৪৫২টি।
- এর মধ্যে মাঝের ৪৫টি পৃষ্ঠা বিলুপ্ত, আর প্রাপ্ত পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪০৭টি।
- কাব্যে কবির ভণিতা সংখ্যা ৪০৯টি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে সঠিক
  4. ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
শিক্ষক নিয়োগ ও নিবন্ধন - NTRCA
মার্ক
1.00

বাংলা সাহিত্য বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
  2. 2

    কত সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?

  3. 3

    মুনীর চৌধুরির ‘কবর’ নাটকের পেক্ষাপট কি?

  4. 4

    ‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কী?

  5. 5

    বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন কোনটি?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল