সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস কোন তারিখে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩০ জুন
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৩০ জুন
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত হয় ৩০ জুন।
• সাঁওতাল বিদ্রোহ
- বিহারের ভাগলপুর জেলার অন্তর্গত দামিন-ই-কোহ অঞ্চল থেকে বীরভূম পর্যন্ত বিস্তৃত সাঁওতাল ভাষাভাষী ও কৃষি নির্ভর জনগোষ্ঠী ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ গড়ে তোলে তাকে হুল বা সাঁওতাল বিদ্রোহ বলা হয়।
- সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিলো জমিদার, মহাজন ও পুলিশের বিরুদ্ধে একটি সশস্ত্র বিদ্রোহ।
- ১৮১১, ১৮২০ ও ১৮৩১ সালে কয়েক দফায় সাঁওতালরা বিদ্রোহ করলেও সবচেয়ে ভয়াবহ ও সংগঠিত সাঁওতাল বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ১৮৫৫-৫৬ সালে।
- রাজমহলের পার্বত্য এলাকায় সংঘটিত এই বিদ্রোহ দমনে ইংরেজ সরকার কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করে।
- সিধু ও কানু নামের দুই ভাই এই বিদ্রোহে নেতৃত্বে দেন।
- কিন্তু ব্রিটিশ সরকার অত্যন্ত কঠোরভাবে এই বিদ্রোহ দমন করে।
- বিদ্রোহে জড়িতদের অধিকাংশকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। বন্দিদের জোরপূর্বক রেলশ্রমিক বানানো হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন