• ফল:<br />- ফুলের গর্ভাশয় নিষিক্ত, পরিপুষ্ট ও পরিপক্কতা লাভ করে পূর্ণাঙ্গ ফলে পরিণত হয়।<br />- বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে ফলকে একবীজপত্রী ও বহু বীজপত্রী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।<br />- পরাগায়নের ভিত্তিতে স্ব-পরাগী, পর-পরাগী, স্ব ও পর- পরাগী ফলে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে। <br />- জীবনকালের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী ফলে ভাগ করা হয়েছে।<br />- গাছের ফল প্রদানের প্রকৃতি অনুযায়ী মনোকারপিক ও পলিকারপিক ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।<br />- উৎপত্তি অনুসারে প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফল এই দুই ভাগে ভাগ করতা হয়েছে।<br />- ফল পাকানোর জন্য দায়ী ফাইটোহরমোনের নাম ইথিলিন। <br />- লাইকোপেনের কারণে ফলের রং লাল হয়। <br />- পুষ্পমঞ্জরীর ভূমিকার ওপর ভিত্তি করে সরল, যৌগিক ও গুচ্ছফল এবং পেরিকার্পের বুনটের ওপর ভিত্তি করে নিরস ও সরস ফলে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে।<br /><br />উৎস:<br />১. স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।<br />২. সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।