এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
'ওয়েস ওয়্যার' জাহাজ রপ্তানি:
- সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে তুরস্কে 'ওয়েস ওয়্যার' জাহাজ রপ্তানি করা হয়।
- দেশের বেসরকারি জাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘আনন্দ শিপইয়ার্ড’ তুরস্কে সাড়ে ৫,৫০০ ডেডওয়েট টনের (ডিডব্লিউটি) অত্যাধুনিক বহুমুখী জাহাজ ‘ওয়েস ওয়্যার’ রপ্তানি করছে।
- ‘ওয়েস ওয়্যার’ নামের এই জাহাজ এ পর্যন্ত রপ্তানি হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং প্রযুক্তিগতভাবে সবচেয়ে উন্নত।
⇒ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনাঘাট কারখানায় এ জাহাজ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তুরস্কের প্রতিষ্ঠান নোপ্যাক শিপিং অ্যান্ড ট্রেডিং লিমিটেডের কাছে।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ ফুট, প্রস্থ ৫৫ ফুট ও গভীরতা ২৫ ফুট। এতে রয়েছে ২,৭৩৫ হর্সপাওয়ারের ইঞ্জিন—যা ১২ নট বেগে ৫,৫০০ টন পণ্য পরিবহনে সক্ষম। ইস্পাতের কয়েল, কয়লা, সার, খাদ্যশস্যসহ বিপজ্জনক সামগ্রী বহনের উপযোগী করেই জাহাজটি তৈরি করা হয়েছে।
- এর আগে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইঞ্জিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেডের কাছে ৬,১০০ ডেডওয়েট টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি জাহাজ রপ্তানি করেছিল।
উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে ডেনমার্কে কনটেইনার জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববাজারে প্রবেশ করার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশি–বিদেশি ক্লায়েন্টদের কাছে ৩৫০টিরও বেশি জাহাজ সরবরাহ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ডেনমার্কের পর জার্মানি, নরওয়ে, মোজাম্বিক, যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি দেশে মোট ১৭টি জাহাজ সরবরাহ করা হয়েছে।
- ৯ লাখ বর্গফুট এলাকায় বিস্তৃত আনন্দ শিপইয়ার্ড একসঙ্গে ১০ হাজার ডেডওয়েট টন ক্ষমতাসম্পন্ন আটটি জাহাজ নির্মাণ করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি ড্রেজার ও আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন জাহাজও তৈরি করা হয় এখানে।
উৎস: The Business
রেফারেন্স মাত্র
অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন
বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড