মূল বিষয়বস্তুতে যান

টিআইপি মতে, মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের অবস্থান - (২০২৪ সাল)

সঠিক উত্তর

দ্বিতীয় ধাপ

সঠিক উত্তর: দ্বিতীয় ধাপ

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

সাম্প্রতিক বিষয়াবলি ১ নম্বর

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?

সাম্প্রতিক বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Website ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের অবস্থান

- ‘ট্রাফিকিং ইন পারসনস (টিআইপি) রিপোর্ট ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনে, মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার বিগত বছরের তুলনায় সামগ্রিকভাবে ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
- তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান আগের মতো দ্বিতীয় ধাপেই (টিয়ার-২) রয়ে গেছে।
- এই ধাপে বাংলাদেশের প্রতিবেশীদের মধ্যে রয়েছে ভারত, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।
- মানব পাচার বন্ধে যেসব দেশ টিভিপিএর ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পেরেছে, সেগুলোকে প্রথম ধাপে (টিয়ার-১) রাখা হয়েছে।
- যেসব দেশ ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পারেনি, কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, সেগুলোকে দ্বিতীয় ধাপে (টিয়ার-২)।
- দ্বিতীয় ধাপে আবার নজরদারির একটি তালিকা (টিয়ার-২ ওয়াচ লিস্ট) রাখা হয়েছে।
- যেসব দেশ টিভিপিএর ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে পারেনি, আবার পাচার বন্ধে উল্লেখযোগ্য চেষ্টাও চালাচ্ছে না, সেগুলোকে তৃতীয় ধাপে (টিয়ার-৩) রাখা হয়েছে।
- এ ছাড়া আছে বিশেষ ক্ষেত্রের (স্পেশাল কেস) একটি তালিকা।

মানব পাচার পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে বাংলাদেশের জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে মার্কিন প্রতিবেদনে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—
• মানব পাচার অপরাধের তদন্ত ও বিচারের প্রচেষ্টা বাড়ানো। দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মেয়াদে কারাদণ্ডের বিষয়টি রয়েছে।
• প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাচারের শিকার ব্যক্তি শনাক্তের প্রচেষ্টা বাড়ানো।
• পাচারবিরোধী ট্রাইব্যুনালের জনবলের সক্ষমতা শক্তিশালী করা।
• পাচারের শিকার সবার জন্য সুরক্ষাসেবার প্রাপ্যতা ও গুণমান বাড়ানো।
• নিয়মিতভাবে আইনের প্রয়োগ। অভিবাসী শ্রমিক নিয়োগ কোম্পানিসহ দালালদের নজরে রাখা।
• রোহিঙ্গা পাচারের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগের তদন্ত ও বিচার বাড়ানো।
• শিশু যৌন পাচার প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো।
• আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য প্রশিক্ষণ বাড়ানো।
• দেশ ছাড়ার আগে অভিবাসী কর্মীদের প্রশিক্ষণের মান উন্নত করা।

সূত্র- টিআইপি ওয়েবসাইট (লিংক) ও প্রথম আলো।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. প্রথম ধাপ
  2. দ্বিতীয় ধাপ সঠিক
  3. তৃতীয় ধাপ
  4. চতুর্থ ধাপ

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

সাম্প্রতিক বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?

  2. 2

    মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম কি?

  3. 3

    পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?

  4. 4

    ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট কে পান?

  5. 5

    জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রটি কোন সালে অনুমোদিত হয়?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল