মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্তকুমারী’ কোন জাতীয় সাহিত্য কর্ম?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাটক
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাটক
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
মনসা দেবীকে নিয়ে বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কি?
বাংলা সাহিত্য বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ‘বসন্তকুমারী নাটক’:
- মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘বসন্তকুমারী' (১৮৭৩) একটি নাট্যরচনা।
- এই নাটকের মূল কাহিনিতে দেখা যায়, বৃদ্ধ রাজা বীরেন্দ্র সিংহের যুবতী স্ত্রী রেবতী তার সপত্নী-পুত্র নরেন্দ্র সিংহের প্রতি প্রেম নিবেদন করে, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। এর ফলে রেবতী প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে ওঠে এবং একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের সূচনা করে। শেষ পর্যন্ত এই ষড়যন্ত্রের কারণে সমগ্র রাজপরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। নাটকটি মোট তিন অঙ্কে বিভক্ত, এতে প্রস্তাবনাসহ ১৩টি দৃশ্য রয়েছে এবং প্রস্তাবনায় একটি সহ মোট ৮টি গান সংযোজিত হয়েছে। নাটকটির নামকরণে মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের প্রভাব লক্ষ করা যায়।
-----------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের প্রচলিত ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়া’।
- তিনি আরও যেসব ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন: গৌড়তটবাসী মশা, উদাসীন পথিক।
- তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৪৩), পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।
- তাঁর নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• বসন্তকুমারী,
• বেহুলা গীতাভিনয়,
• জমিদার দর্পণ।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা সাহিত্য বিষয়ের আরও প্রশ্ন