• ডাটা ইনপুট করার জন্য পয়েন্টিং এবং ক্লিকিং-এর জন্য যে ডিভাইসটি ব্যবহার হয়, তা হলো মাউস। মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সর বা পয়েন্টারকে নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীকে সহজেই বেছে নেওয়া, ড্র্যাগ করা, ড্রপ করা এবং বিভিন্ন অপশন ক্লিক করার সুযোগ দেয়। মাউসের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের মধ্যে দ্রুত কাজ করা সম্ভব হয়। অন্যদিকে, কীবোর্ড মূলত টেক্সট ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয়, স্ক্যানার ছবি বা ডকুমেন্ট ডিজিটাইজ করার কাজে ব্যবহৃত হয়, আর স্পিকার শব্দ আউটপুট দেয়। তাই পয়েন্টিং এবং ক্লিকিংয়ের জন্য মাউসই সঠিক ডিভাইস।
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস দিয়ে পয়েন্টিং এবং ক্লিকিং- এর মাধ্যমে ডাটা ইনপুট করা হয়।
• পেরিফেরাল:
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন:
• কীবোর্ড,
• মাউস,
• স্ক্যানার,
• OMR,
• OCR ইত্যাদি।
২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন:
• মনিটর,
• প্রিন্টার,
• প্রজেক্টর,
• স্পিকার,
• প্লটার ইত্যাদি।
৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
যেমন:
• পেন ড্রাইভ,
• মডেম,
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি।
উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২) ব্রিটানিকা।