চর্যাপদে মোট ৫১টি পদ থাকা সত্ত্বেও কোন সিদ্ধাচার্যের কোনো পদই উল্লেখ নেই?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লাড়িডোম্বী পা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: লাড়িডোম্বী পা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• চর্যাপদে মোট ৫১টি পদ থাকা সত্ত্বেও লাড়িডোম্বী পা'র কোনো পদই উল্লেখ নেই।
-------------------------------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ মানে হলো প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের লিখিত প্রথম নিদর্শন।
- চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের দ্বারা রচিত এক প্রকার সাধনমূলক গীতিকবিতা।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আদি ও শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো চর্যাপদ।
- এটি গানের সংকলন এবং একে সাধন-সংগীতও বলা হয়।
- চর্যাপদ মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত এবং একে চর্চাগীতিকোষ বলা হয়।
- পাল শাসন আমলে এটি রচিত হয়।
- চর্যাপদকে বলা হয় সহজিয়া বা বৌদ্ধ ধর্ম অবলম্বনকারীদের সাহিত্য।
- এর ভাষা রীতি হলো কথ্য ভাষারীতি।
- চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যাভাষা ও বলা হয়।
---------------------------------------------------
• লাড়িডোম্বী পা:
- চর্যার তিব্বতি অনুবাদে লাড়িডোম্বী পা'র নাম ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদের রচয়িতা হিসেবে পাওয়া যায়।
- কিন্তু মূল পুথিতে তাঁর কোনো পদ নেই।
- তাই চর্যাপদের পদ মোট ৫১টি হলেও মোট পদ ৫০ টি ধরা হয়।
----------------------------------
অন্যদিকে,
• সরোহপা - তাঁকে চর্যার শেষ পদরচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
• ঢেণ্ঢণ পা ছিলেন চর্যাপদের একজন কবি, যাঁর একটি পদ (পদ ৩৩) পাওয়া গেছে।
• গুণ্ডরি পা চর্যাপদের একজন কবি।
- তিনি ৪ নং পদটি রচনা করেছেন।
- তিনি ২৪ জন সিদ্ধাচার্যের মধ্যে অন্যতম, এবং তার পদটি "তিঅড্ডা চাপী যোইনি দে অঙ্কবালী" শিরোনামে সংকলিত হয়েছে।
উৎস:
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস — মাহবুবুল আলম;
লাল নীল দীপাবলি (চর্যাপদ অধ্যায়)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন