বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কোন ধাতু গঠিত হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাম ধাতু
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: নাম ধাতু
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• নাম ধাতু:
- বিশেষ্য, বিশেষণ বা অনুকার অব্যয়ের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে নতুন ধাতু গঠিত হয়, তাকে নাম ধাতু বলে।
- যেমন—
- ঘুম্ + আ = ঘুমা (সে ঘুমাচ্ছে),
- ধমক্ + আ = ধমকা (আমাকে ধমকিও না)।
অন্যদিকে,
• প্রযোজক (ণিজন্ত) ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর সঙ্গে প্রেরণার্থে বা অন্যকে দিয়ে কাজ করানোর অর্থে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক বা ণিজন্ত ধাতু বলে।
- যেমন—
- কর্ + আ = করা (সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়),
- পড়্ + আ = পড়া (তিনি ছেলেকে পড়াচ্ছেন)।
• কর্মবাচ্যের ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে কর্মবাচ্যের ধাতু গঠিত হয়।
- এটি বাক্যের কর্মপদের অনুসারী ক্রিয়ার ধাতু।
- যেমন—
- দেখ্ + আ = দেখা (কাজটি ভালো দেখায় না),
- হার্ + আ = হারা (যা কিছু হারায়, গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর)।
• বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সোজাসুজি আসেনি সেগুলো হলো বাংলা ধাতু।
- যেমন-
- কাট্, কাঁদ, জানু, নাচ্ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন