প্রাকৃতিক গ্যাস:
- প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী বাংলাদেশে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে, যার মধ্যে ১৯টি থেকে উৎপাদন করা হচ্ছে। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র ইলিশা, ভোলা।
- গ্যাসের মোট মজুদ প্রায় ৩৯.৮০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্রগুলো হলো বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা, রশীদপুর, সিলেট, তিতাস, বেলাবো (নরসিংদী), মেঘনা, শাহবাজপুর, সেমুতান, সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, বেগমগঞ্জ, রূপগঞ্জ, সালদা নদী, জালালাবাদ, বিয়ানিবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, মৌলভীবাজার, বিবিয়ানা ও বাঙ্গুরা ইত্যাদি।
- এ গ্যাস রাসায়নিক সার তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এ ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে, কলকারখানা ও গৃহে এ গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৫৪-৫৯ শতাংশ পূরণ করছে।
- বর্তমানে মোট আবিষ্কৃত ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্রে ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট এবং জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- বর্তমানে দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ ক্ষমতা প্রায় ১৩.৭০ লক্ষ মেট্রিক টন
উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪