কৃষ্ণগহ্বর বা 'ব্ল্যাকহোল' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন-
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: জন হুইলার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: জন হুইলার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর হলো জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট ও বালটিস্তান পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত।
আন্তর্জাতিক বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole):
- কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হলো মহাবিশ্বের এমন একটি মহাজাগতিক বস্তু, যার মহাকর্ষীয় আকর্ষণ এতই প্রবল যে সেখান থেকে আলোসহ কোনো কিছুই বেরিয়ে আসতে পারে না।
- বৃহদাকার নক্ষত্রের জীবনের শেষ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার জ্বালানি নিঃশেষ হয়ে গেলে তার কেন্দ্র মহাকর্ষের প্রভাবে নিজের উপরই ভেঙে পড়ে এবং সংকুচিত হয়ে কৃষ্ণগহ্বর তৈরি হয়।
- এই সংকোচনের ফলে বস্তুটি একটি অতি ক্ষুদ্র বিন্দুতে পরিণত হয়, যাকে সিঙ্গুলারিটি বলা হয়, যেখানে ঘনত্ব প্রায় অসীম হয়ে যায়।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন।
- সাধারণত সূর্যের ভরের প্রায় তিন গুণ বা তার বেশি ভরবিশিষ্ট নক্ষত্রের মৃত্যুতে কৃষ্ণগহ্বর সৃষ্টি হতে পারে।
- কম ভরের নক্ষত্রগুলো সাধারণত শ্বেত বামন বা নিউট্রন তারায় পরিণত হয়।
- কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশে একটি সীমা থাকে, যাকে ইভেন্ট হরাইজন বলা হয়;
- এই সীমার ভেতর থেকে কোনো কিছুই, এমনকি আলোও পালাতে পারে না।
- এর মুক্তিবেগ আলোর গতিকে অতিক্রম করে।
- কৃষ্ণগহ্বরের গঠনের ব্যাখ্যা ও গণনা করা হয় General Relativity এর ভিত্তিতে, যা আলবার্ট আইনস্টাইন প্রণয়ন করেন।
- জার্মান জ্যোতির্বিদ কার্ল শোয়ার্জশিল্ড কৃষ্ণগহ্বরের গাণিতিক ব্যাসার্ধ নির্ধারণ করেন, যা শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ নামে পরিচিত।
- ২০১৯ সালে Event Horizon Telescope (EHT) প্রথমবারের মতো কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তুলতে সক্ষম হয়, যা এই গবেষণায় এক যুগান্তকারী অগ্রগতি।
উৎস: NASA ও Britannica.
রেফারেন্স মাত্র
আন্তর্জাতিক বিষয়ের আরও প্রশ্ন