জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে 'আমার সোনার বাংলা' গানের কতটি চরণ নির্ধারিত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১০টি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ১০টি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
জাতীয় সঙ্গীত
- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হলো ‘আমার সোনার বাংলা’।
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯০৬ সালে রচনা করেন।
- গানটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী আন্দোলনে গানটি দেশপ্রেম জাগানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচার হতো।
- স্বাধীনতার পর সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪.১ অনুযায়ী গানটি জাতীয় সঙ্গীত ঘোষিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত হিসেবে নির্ধারিত।
- গানের প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রয়েছে।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) বিবিসি।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন