বর্তমানে বাংলাদেশের রেলপথের কোন ধরনটি চালু নেই? [জুলাই-২০২৬]
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ন্যারোগেজ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ন্যারোগেজ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের রেলপথের প্রকারভেদ নয়- ন্যারোগেজ।
বাংলাদেশের রেলপথ:
- বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের রেলপথ রয়েছে।
যথা-
- ব্রডগেজ রেলপথ,
- ডুয়েলগেজ রেলপথ ও
- মিটারগেজ রেলপথ।
১. ব্রডগেজ রেলপথ:
- ১.৬৭৬ মিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) প্রস্থের রেলপথকে ব্রডগেজ রেলপথ বলা হয়।
- বাংলাদেশের ব্রডগেজ রেলপথ প্রধানত যমুনা নদীর পশ্চিমাঞ্চলে, অর্থাৎ রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে অবস্থিত।
২. ডুয়েলগেজ রেলপথ:
- যে রেলপথে ব্রডগেজ ও মিটারগেজ-উভয় ধরনের ট্রেন চলাচল করতে পারে, তাকে ডুয়েলগেজ রেলপথ বলা হয়।
৩. মিটারগেজ রেলপথ:
- ১ মিটার প্রস্থের রেলপথকে মিটারগেজ রেলপথ বলা হয়।
- বাংলাদেশের মিটারগেজ রেলপথ প্রধানত যমুনা নদীর পূর্বাঞ্চলে, অর্থাৎ ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে অবস্থিত।
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন