[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Website ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
রূপকল্প ২০৪১: - এটি একটি পরিকল্পনা। - বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১। - রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন। - ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ। - রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে। - রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত। - এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।
⇒ উদ্দেশ্য: - সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ। - মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)। - দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা। - ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট। - ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা। - বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা। - রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো। - রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা। - গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা। - মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। - ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা। - জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা। - কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা। - অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।