সালে পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হিসেবে কে উপস্থিত ছিলেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ:
- আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ।
- এই যুদ্ধের মাধ্যমেই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম ঘটে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ড যুদ্ধে হেরে গিয়ে আত্মসমর্পণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তানের পক্ষে দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী।
- নিয়াজী ৯৩,০০০ সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেন।
- যৌথ বাহিনীর পক্ষে এই দলিল গ্রহণ করেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত হয়।
- এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে।
অন্যদিকে,
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন আতাউল গণি ওসমানী।
- এস ফোর্সের প্রধান ছিলেন- লে. কর্নেল কে. এম. শফিউল্লাহ।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি নিউজ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন