বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ: - বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা ও অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, মুন্সী আবদুর রউফ তাঁদের অন্যতম।
উল্লেখ্য, - স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তিনি ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন। - মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। - ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আবদুর রউফ ইপিআরের ১১ নম্বর উইং চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। - ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি লড়াই হয়। - কৌশলগত কারণে সহযোদ্ধাদের পিছু হটতে বলে তিনি নিজেই শত্রুসেনাদের মোকাবেলা করেন, একপর্যায়ে শহীদ হন। - সহযোদ্ধারা পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে নানিয়ারচরের চিংড়ি খালসংলগ্ন একটি টিলার ওপর সমাহিত করেন। - মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও আত্মদানের জন্য বাংলাদেশ রাইফেলস ১৯৭৩ সালে সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফকে অনারারি ল্যান্স নায়েক পদে মরণোত্তর পদোন্নতি দান করে।
⇒ রউফ নগর: - রউফ নগর ফরিদপুর জেলার মধুখালীতে অবস্থিত। - বীরশ্রেষ্ঠের জন্মস্থান রউফ নগর গ্রামে ১.০০ একর জমিতে বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ যাদু ঘর ও মিউজিয়াম অবস্থিত।