আদমজী জুট মিল বন্ধ হয় কত সালে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০০২ সালে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২০০২ সালে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
আদমজী জুট মিল:
- আদমজী জুট মিল ১৯৫০ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর তৎকালীন পূর্ববাংলায় কোনো পাটকল না থাকায় পাকিস্তান সরকার নতুন পাটশিল্প স্থাপনে উদ্যোগ নেয়।
- এ প্রেক্ষাপটে আদমজী ব্রাদার্স ও পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (PIDC) যৌথ বিনিয়োগে মিলটি প্রতিষ্ঠা করে।
- নদী, সড়ক ও রেল যোগাযোগের সুবিধার কারণে নারায়ণগঞ্জের উত্তরে সিদ্ধিরগঞ্জে প্রায় ২২৭ একর জমির ওপর কারখানাটি গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৫৫ সালের জুনে উৎপাদন শুরু হয়; তখন মিলটিতে ৩,০০০টি লুম ও ৩১,২০০টি টাকু স্থাপন করা হয়েছিল।
- মিলটি চট, বস্তা, দড়ি ও কার্পেট ব্যাকিং ক্লথ উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করে এবং বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে জাতীয়করণ করা হয় এবং বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে।
- জাতীয়করণের পর অতিরিক্ত জনবল, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, শ্রম অসন্তোষ ও উৎপাদন অদক্ষতার কারণে মিলটি ধীরে ধীরে লোকসানে পড়ে।
- উৎপাদন ক্ষমতা ও যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন অর্জন সম্ভব হয়নি এবং মজুরি ব্যয় ক্রমাগত বেড়ে যায়।
- দীর্ঘদিন আর্থিক ক্ষতি ও সরকারি ভর্তুকির চাপের কারণে ২০০২ সালে আদমজী জুট মিল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন