মূল বিষয়বস্তুতে যান

কোন ইউরোপীয় ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন?

সঠিক উত্তর

ভাস্কো দা গামা

সঠিক উত্তর: ভাস্কো দা গামা

এবার দেখা যাক এই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেন কিনা।

ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।

সাধারণ জ্ঞান ১ নম্বর

বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন

১০ মার্কের MCQ কুইজ

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার:
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে সমুদ্রপথে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন।
- ১৪৯৭ সালের জুলাই মাসে তিনি পর্তুগালের লিসবন থেকে যাত্রা শুরু করেন এবং দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা শেষে ১৪৯৮ সালের ২০ মে ভারতের কেরালা রাজ্যের কালিকট (বর্তমান কোঝিকোড়) বন্দরে পৌঁছান। তার আবিষ্কৃত এই সমুদ্রপথটি উত্তমাশা অন্তরীপ (Cape of Good Hope) হয়ে ইউরোপ থেকে ভারতে আসার সরাসরি পথ তৈরি করেছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৪৭৭ সালে পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্তোলোমেউ দিয়াজ আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন। তিনি যখন ওখানে পৌঁছেন তখন প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়েন। তাই ঐ স্থানের নাম দিয়েছিলেন "ঝড়ের অন্তরীপ”। পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর মধ্যে আশার আলো দেখতে পান এবং এর নাম রাখেন "উত্তমাশা অন্তরীপ”। রাজা জন আরো কিছু পরিকল্পনা করেন যেন উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে পর্তুগিজরা ভারতের দিকে রাস্তা খুঁজে পায়।
- রাজা জনের উত্তরাধিকারী রাজা প্রথম ম্যানুয়েলের আনুকূল্যে ভাস্কো দা গামা নামক এক নাবিক ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে এক অভিযানে বের হন। দিয়াজের পথ ধরে তিনি উত্তমাশা অন্তরীপ অতিক্রম করেন, তারপর তিনি আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে পূর্ব আফ্রিকার কেনিয়ায় পৌঁছেন। এখানে এক আরব নাবিক তাঁকে ভারত মহাসাগর অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছুতে সহায়তা করেন।
- ১৪৯৮ সালের মে মাসে ভাস্কো দা গামা ভারতের কালিকটে পদার্পণ করেন এবং ইউরোপ থেকে দূর প্রাচ্য পর্যন্ত পৌঁছার নতুন রাস্তা আবিষ্কারকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য একটি মার্বেল পাথরের স্মরণিকা তৈরি করেন।
- দুই বছর পর ভাস্কো দা গামা পর্তুগালে ফেরত যান, কিন্তু ইতিমধ্যে তাঁর বহরের অর্ধেক জাহাজ হারিয়েছেন, লোকজনের তিনভাগের একভাগ মারা গেছে। কিন্তু অভিযানে অর্থ যত খরচ হয়েছিল তার ষাটগুণ বেশি অর্থ পাওয়া যায় জাহাজে করে ভারত থেকে আনা দারুচিনি ও মরিচ পর্তুগালের বাজারে বিক্রি করে। রাজ্য ম্যানুয়েল ভাস্কো-দা-গামার এ আবিষ্কারকে দ্রুত কাজে লাগালেন।
- ১৪০০ সালের পর থেকে পর্তুগিজ বাণিজ্য জাহাজ নিয়মিতভাবে ভারতে আসা যাওয়া শুরু করে। পর্তুগিজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকরাও সাথী হয়। ভারতের গোয়ায় প্রথম পর্তুগিজ মিশনারি আস্তানা গড়ে ওঠে। শীঘ্রই পর্তুগিজরা সিংহল, সুমাত্রা, জাভা এবং মশলার দ্বীপে তাদের বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে। ১৪১৭ সালে তারা চীনের ক্যান্টনে উপস্থিত হয় এবং ১৫৪২ খ্রিস্টাব্দে জাপানে প্রবেশ করে।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

  1. ভাস্কো দা গামা সঠিক
  2. ম্যাগিলেন
  3. কলম্বাস
  4. কাপ্টেন কুক

প্রশ্ন তথ্য

শ্রেণী
চাকুরী প্রস্তুতি - ব্যাংক
মার্ক
1.00

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের আরও প্রশ্ন

  1. 1

    বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?

  2. 2

    সবুজপত্র প্রকাশিত হয় কোন সালে?

  3. 3

    মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

  4. 4

    কোন রং বেশী দূর থেকে দেখা যায়?

  5. 5

    ১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি সাক্ষরিত হয়?

মেধাবী অ্যাপ

৪.৯ · বিনামূল্যে
ইনস্টল