• দেহকোষ (Somatic cell): - বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে। - মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে। - বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়। উদাহরণ: স্নায়ুকোষ, রক্ত, রক্তকণিকাসমূহ, ফুসফুস, হৃদপিন্ড,অস্থিকোষ ইত্যাদি।
• জননকোষ (Gametic cell): - যৌন প্রজনন ও জনঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়। - মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়। - অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে। - পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে। - পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে। - জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে। উদাহরণ: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।