মেধাবী
Toggle menu

কোন ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয়?

সঠিক উত্তর
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে স্টার্ট ও স্টপ বিটসহ ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ডেটা ট্রান্সমিট হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি অক্ষর বা ক্যারেক্টার আলাদাভাবে পাঠানো হয় এবং প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট ও শেষে একটি বা একাধিক স্টপ বিট যুক্ত থাকে। এর ফলে প্রাপক সহজেই প্রতিটি ক্যারেক্টারের সীমা নির্ধারণ করতে পারে, যদিও এতে অতিরিক্ত বিট যুক্ত হওয়ায় ডেটা ট্রান্সমিশনের দক্ষতা কিছুটা কমে যায়। অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের প্রধান সুবিধা হলো, এটি সিম্পল এবং কম জটিল ডিভাইস বা ছোট ব্যবস্থার জন্য উপযোগী। এই কারণে এটি সাধারণত কীবোর্ড, মাউস, অথবা সিরিয়াল পোর্টে ব্যবহৃত হয়।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়।
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি।
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

• আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়ােজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সঠিক
সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
প্যাকেট সুইচিং

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড