আলোক: - আলো এক প্রকার বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ। - এ বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্পন্দন সহকারে উৎস থেকে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে। - আলোর গতিবেগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল। - শূন্যে আলোর বেগ সেকেন্ডে প্রায় 2.9979 × 108 m (সংক্ষেপে 3 × 108 m বা, 3 x 1010 cm)। - বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েল (Maxwell) প্রমাণ করেন যে, সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয়। - এজন্য সব ধরনের আলোককে একত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়। - দৃশ্যমান আলো হল বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র। - সমগ্র বিকিরণ শক্তির অধিকাংশই অদৃশ্য। - বিভিন্ন ধরনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য (একক ন্যানোমিটারে nm = 10-9m) নিচে দেয়া হলো- • মহাজাগতিক রশ্মির তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য: <0.00005nm • গামা রশ্মির তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য: 0.0005 - 0.15 nm • রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য: 0.01 – 10 nm • অতিবেগুনি রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: <380 nm • দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য: 400 - 700nm • অবলোহিত আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: >700nm • রেডিও ও টেলিভিশন তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: >2.2 x 105 nm
উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।