সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• সংবিধানের প্রথম সংশোধনী:
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- এটি উত্থাপন করেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর।
- এর বিষয়বস্তু ছিলো যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এতে সংবিধানের ৪৭ নং অনুচ্ছেদে সংশোধন আনা হয় যেখানে ৪৭-ক নামে নতুন একটি অনুচ্ছেদ নতুন দফা যুক্ত করা হয়।
• সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের সংশোধন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (অতঃপর "সংবিধান” বলিয়া অভিহিত)-এর ৪৭ অনুচ্ছেদে (২) দফার পর নিম্নরূপ নূতন দফা যুক্ত হইবে:
- “(৩) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয় গণ্য হইবে না।"।
• ৪৭(ক) অনুচ্ছেদ সংযোজন।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ৪৭৩। সংবিধানে নূতন অনুচ্ছেদের পর নিম্নরূপ নূতন ৪৭ক অনুচ্ছেদ সংযোজিত হইবে:
"৪৭(ক)। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।-(১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।"।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন