[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Website ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
⇒ শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ও প্রতিবেদন: - দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৯ আগস্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘
বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
- শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রতিবেদনটি জমা দেয়।
⇒ প্রস্তাবিত শ্বেতপত্রে যেসব বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো-- সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা- অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি এবং ঋণ), বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন।
- মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা- উৎপাদন, সরকারি সংগ্রহ এবং খাদ্য বণ্টন।
- রপ্তানি, আমদানি, রেমিটেন্স, এফডিআই, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ এবং ঋণ।
- চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ, খরচ এবং ক্রয় চুক্তি।
- ব্যক্তিগত বিনিয়োগ- ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, সংযোগ এবং লজিস্টিকসে অ্যাক্সেস।
- দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক মজুরি; যুব কর্মসংস্থান।
⇒ প্রতিবেদনটি থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:- অবৈধ অর্থ পাচার: ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২৮ উপায়ে পাচার। প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার তছরূপ ও পাচার হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্প খরচ গড়ে ৭০% বেড়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হতে গড়ে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এডিপি বিনিয়োগের ১৪-২৪ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে অপচয়।
- ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি: মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে বিপুল আর্থিক সংকট।
- দুর্নীতির কেন্দ্র: সামরিক ও বেসামরিক আমলারা প্রধান দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত।
⇒ এছাড়াও প্রতিবেদনে সুপারিশ স্বরুপ বলা হয়েছে:- স্বল্পমেয়াদী (২-৩ বছর) পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিদেশি সাহায্যের বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ।
- বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক জোরদার করা।
তথ্যসূত্র: শ্বেতপত্র প্রতিবেদন ও প্রথম আলো নিউজ।[
লিঙ্ক]