বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অন্যতম উদ্দেশ্য কোনটি?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে নিশ্চিতকরণ
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)
→ বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ এলাকা এবং নাটোরসহ বৃহত্তর রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও পাবনা জেলার কিয়দংশ এলাকা এবং ভারতের উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদা জেলার অধিকাংশ এলাকা নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চল গঠিত।
→ পরিবেশের স্বাভাবিক নিয়মে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যায়। দেশের বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত যেখানে ২৫০০ মি.মি. সেখানে এ অঞ্চলে তা ১৪০০ মি.মি. এর বেশী নয়। ভাটির দেশ হওয়ায় উজানের দেশ থেকে নেমে আসা প্রায় সকল নদীতে বাঁধ নির্মাণ করায় অধিকাংশ নদীই (মহানন্দা, আত্রাই, পূর্ণভবা, শিব, পাগলা, করোতোয়া, তিস্তা) শুকনো মৌসুমে প্রায়ই শুকিয়ে যায়।
→ ফলে এ অঞ্চলে ভূ-পরিস্থ পানির উৎসও খুবই অপ্রতুল হয়ে পড়ে। এ অঞ্চলের জমিগুলো ছিল তাই বৃষ্টি নির্ভর একফসলী। যথা সময়ে বৃষ্টিপাত না হলে একটি ফসল উৎপাদনও ব্যহত হতো। বৃষ্টি নির্ভর বোনা আমন ফসলের পর বছরের বাকী সময় জমিগুলো গোচারণভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হতো।
→ মাটির গঠন এবং ভূ-গর্ভস্থ পানি স্তরের স্বল্পতার কারণে এ অঞ্চলে প্রচলিত নলকূপ দ্বারা সেচ কাজ সম্ভব ছিল না। সে প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে এ অঞ্চলের তৎকালীন বিএডিসি’র প্রকৌশলীগণ জনাব ড. আসাদুজ্জামান এর নেতৃত্বে এক বিশেষ ধরণের নলকূপ উদ্ভাবন করে ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা সেচের সুযোগ সৃষ্টি করেন।
→ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) এর আওতায় বরেন্দ্র সমন্বিত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্প (BIADP) এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে উন্নয়নের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ১৫ টি উপজেলায় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। নলকূপ স্থাপন ও পুকুর-খাল খননের মাধ্যমে সেচ সুবিধা সৃষ্টি করা, বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে মরু প্রক্রিয়া রোধ করা এবং উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করা ও যাতায়াতের জন্য ফিডার রোড নির্মাণ করা ছিল এ প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
→বরেন্দ্র এলাকার উন্নয়নের জন্য ১৯৯২ সালের ১৫ জানুয়ারী রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল (২৫টি) উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়।
কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য ও কার্যাবলীঃ
১) সেচ কার্যের উদ্দেশ্যে ভূ-পরিস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানি সম্পদের উন্নয়ন এবং যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ;
২) কৃষি যান্ত্রিকিকরণ, বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং শস্যের বহুমুখীকরণ;
৩) পরিবেশের ভাসাম্য রক্ষার্থে বৃক্ষ রোপণ ও সংরক্ষণ;
৪) কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে সীমিত আকারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষাবেক্ষণ;
৫) সেচযন্ত্র স্থাপন এবং লোকালয়ে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহকরণ;
৬) সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে চুক্তি সম্পাদন;
৭) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন