১১ দফা কর্মসূচি: - সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবির বাস্তবায়ন এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি প্রধান ছাত্র সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সংগ্রাম পরিষদ। - ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠন ও সুসংবদ্ধকরণ এবং নেতৃত্ব প্রদানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মূখ্য ভূমিকা পালন করে। - ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ, বিশেষত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন], পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মতিয়া], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (DUCSU) আট জন ছাত্রনেতা সম্মিলিতভাবে গঠন করেন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। - ১৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য, - মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা। - কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য। - এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়। - ১১ দফার মধ্যে ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়। - এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। - এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। ii) বাংলাপিডিয়া।