মূলত র্যাম্বো স্টাইলের চীনা চলচ্চিত্র উলফ ওরিয়র-২ থেকে ‘নেকড়ে যোদ্ধা’ পরিভাষাটি ধার করা হয়েছে। এ ধরনের কূটনীতিকে সংঘাতমূলক ও আগ্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মার্কিন চাপে জি৭ দেশগুলো যাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেই নতুন পথ বেছে নিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশ চীন।
চীনের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছেন। ২০২০ সাল থেকেই নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চালিয়ে আসছে চীন। যা অনেকটা আগ্রাসী ও রূক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি। পশ্চিমাদের প্রতিকূলতা মোকাবিলায় আত্মরক্ষা হিসেবে তারা এ পথ বেছে নিয়েছে।