বাংলাদেশের জলবায়ু সামগ্রিকভাবে কী ধরনের?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
বাংলাদেশের মৌসুমী জলবায়ু:
• বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
• মৌসুমী শব্দটি আরবি 'মওসুম' শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে। 'মওসুম' শব্দের বাংলা অর্থ ঋতু।
• ঋতুভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী জলবায়ু বলা হয়।
• গ্রীষ্মকালে মৌসুমী বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
• শীতকালে মৌসুমী বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
• মৌসুমী বায়ুর উৎপত্তির প্রধান কারণ স্থলভাগ ও জলভাগের উষ্ণতার তারতম্য।
• গ্রীষ্মকালে অধিক তাপের কারণে উত্তর গোলার্ধে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
• একই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে তুলনামূলক কম তাপের কারণে উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়।
• তখন দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে উত্তর গোলার্ধের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়।
• এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়।
• শীতকালে গ্রীষ্মকালের বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
• শীতকালে বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয়।
• তাই একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলা হয়।
• অর্থাৎ ঋতুভেদে বায়ুচাপের পরিবর্তনের ফলে মৌসুমী বায়ুর দিক পরিবর্তিত হয়।
উৎস: অর্থনৈতিক ভূগোল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন