কোনটি স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
আ ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান হয় সব থেকে নিম্নে হয়। তাই নিম্ন বিবৃত স্বরধ্বনি বলে।
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• ক্রিয়াবিশেষণ:
যে শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে।
যেমন:
ছেলেটি দ্রুত দৌড়ায়।
লোকটি ধীরে হাঁটে।
মেয়েটি গুনগুনিয়ে গান করছে।
অনেক সময়ে বিশেষ্য ও বিশেষণ শব্দের সঙ্গে ‘-এ’, ‘-তে’ ইত্যাদি বিভক্তি এবং ‘-ভাবে’, ‘-বশত’, ‘-মতো’ ইত্যাদি শব্দাংশ যুক্ত হয়ে ক্রিয়াবিশেষণ তৈরি হয়। যেমন – ততক্ষণে, দ্রুতগতিতে, শান্তভাবে, ভ্রান্তিবশত, আচ্ছামতো ইত্যাদি।
ক্রিয়াবিশেষণকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: কোনো ক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়, ধরনবাচক ক্রিয়াবিশেষণ তা নির্দেশ করে।
যেমন:
টিপ টিপ বৃষ্টি পড়ছে।
ঠিকভাবে চললে কেউ কিছু বলবে না।
২. কালবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: এই ধরনের ক্রিয়াবিশেষণ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল নির্দেশ করে।
যেমন-
- আজকাল ফলের চেয়ে ফুলের দাম বেশি।
- যথাসময়ে সে হাজির হয়।
৩. স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: ক্রিয়ার স্থান নির্দেশ করে স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ।
যেমন-
- মিছিলটি সামনে এগিয়ে যায়।
- তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
৪. নেতিবাচক ক্রিয়াবিশেষণ: না, নি ইত্যাদি দিয়ে ক্রিয়ার নেতিবাচক অবস্থা বোঝায়। এগুলো সাধারণত ক্রিয়ার পরে বসে।
যেমন-
সে এখন যাবে না।
তিনি বেড়াতে যাননি।
এমন কথা আমার জানা নেই।
৫. পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ: বাক্যের মধ্যে বিশেষ কোনো ভূমিকা পালন না করলেও 'কি', 'যে', 'বা','না', 'তো' প্রভৃতি পদাণু ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে কাজ করে।
যেমন-
কি: আমি কি যাব?
যে: খুব যে বলেছিলেন আসবেন।
বা: কখনো বা দেখা হবে।
না: একটু ঘুরে আসুন না, ভালো লাগবে।
তো: মরি তো মরব।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা ব্যাকরণ বিষয়ের আরও প্রশ্ন