কোন ভাষারীতি বক্তৃতার জন্য অনুপযোগী?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সাধু
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: সাধু
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• সাধু ভাষারীতি বক্তৃতার জন্য অনুপযোগী।
-------------
• সাধু রীতি:
- দাপ্তরিক কাজ, সাহিত্য রচনা, যোগাযোগ ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজন থেকে বাংলা লেখ্য ভাষায় সাধু রীতির জন্ম হয়।
- উনিশ শতকের শুরুতে এর বিকাশ ঘটে এবং প্রায় দেড়শ বছর ধরে এটি বাংলা লেখ্য ভাষার আদর্শ রীতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য—
১। তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য থাকে।
যেমন— গলদঘর্ম, নিরীক্ষণ, দিবাকর।
২। সন্ধি ও সমাসযুক্ত বড় শব্দ বেশি ব্যবহৃত হয়।
যেমন— চতুর্থাংশ, মহাবুদ্ধিসম্পন্ন, অস্থিরচিত্ত।
৩। অসমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
যেমন— করিয়া, বলিয়া, হইয়া, তুলিয়া।
৪। সমাপিকা ক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
যেমন— করিলেন, হইলেন, জন্মাইল, করিয়াছিলেন।
৫। সর্বনামের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
যেমন— তাহারা, তাহাদিগের, যাহা, তাহা, উহা।
৬। অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।
যেমন— হইতে।
৭। ক্রিয়ারূপ দীর্ঘ হয়।
যেমন— করিতেছে, করিয়াছে, করিবে, করিতে।
৮। বাক্যরীতি নির্দিষ্ট নিয়মে গঠিত হয়।
সাধারণত প্রথমে কর্তা, মাঝে অন্যান্য পদ এবং শেষে ক্রিয়াপদ থাকে।
৯। ভাষায় আভিজাত্য ও গাম্ভীর্য প্রকাশ পায়।
১০। ভাষা মার্জিত ও সর্বজনবোধ্য, তবে অনেক সময় কিছুটা কৃত্রিম মনে হয়।
১১। নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার জন্য কম উপযোগী, কারণ এটি কথ্য ভাষার মতো স্বাভাবিক নয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন