রাদারফোর্ডের কোন পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রীয় অংশের সন্ধান পাওয়া যায়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
১ + ৫ + ৯ + ........... +৮১ = ?
পদসংখ্যা ৮১-১/৪+১; সমষ্টি = শেষ পদ+প্রথম পদ/২× পদসংখ্যা
গণিত বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• রাদারফোর্ডের α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা (ক) মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রীয় অংশের সন্ধান পাওয়া যায়। এই পরীক্ষায় হিলিয়াম অণুর α কণাগুলি পাতলা সোনার পাতের মধ্য দিয়ে ছোঁড়া হয়। অধিকাংশ কণা সরাসরি চলে যায়, তবে কিছু α কণা বিস্তৃতভাবে বিচ্ছুরিত হয়। এই আচরণ পরমাণুর ভেতরের গঠন বোঝায়। বিস্তৃত বিচ্ছুরণের কারণ হলো α কণাগুলি খুব ঘন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত কেন্দ্রে আঘাত করছে। রাদারফোর্ড বুঝতে পারেন যে, পরমাণুর মূল অংশে সমস্ত ধনাত্মক চার্জ এবং প্রায় সমস্ত ভর কেন্দ্রীভূত, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্র বলা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর প্রাথমিক মডেল বদলে গেছে।
সঠিক উত্তর: ক) α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা।
রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল:
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড 1911 সালে α-কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা শেষে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল উপস্থাপন করেন। সেটি হলো-
i. পরমাণুর দুটি অংশ একটি নিউক্লিয়াস এবং অপরটি নিউক্লিয়াসের বাইরের অংশ।
ii. পরমাণু প্রায় সমস্ত ভর পরমাণুর আয়তনের তুলনায় খুব সূক্ষ্ম স্থানে পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। পরমাণুর কেন্দ্রের এ সূক্ষ্ম অংশকে নিউক্লিয়াস বলে। নিউক্লিয়াসের আকার গোলাকার এবং ব্যাস 10-12 10-13 cm এর মধ্যে।
iii. ভারী ধনাত্মক আধান যুক্ত কণা প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। ইলেকট্রনের ভর অত্যন্ত নগণ্য। পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে।
iv. পরমাণু আধান নিরপেক্ষ। পরমাণুতে ধনাত্মক আধান যুক্ত প্রোটনের সংখ্যা ও ঋণাত্মক আধান যুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। একটি প্রোটন যে পরিমাণ ধনাত্মক আধান বহন করে, একটি ইলেকট্রন ঠিক ঐ একই পরিমাণ ঋণাত্মক আধান বহন করে।
v. নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বৃত্তাকার পথে সমদ্রুতগতিতে আবর্তন করে।
• রাদারফোর্ড পরমাণুর মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করা হয়। কারণ-
- রাদারফোর্ড তাঁর পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষ পথে বিভিন্ন গ্রহগুলো যেভাবে পরিভ্রমণ করে ঠিক একইভাবে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে তীব্র বেগে পরিভ্রমণ করে।
- তাঁর ধারণা মতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে বিদ্যমান স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং অপরটি ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্রবিমুখী বল।
- এ দুই প্রকার বলের মান পরস্পর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী।
- তাই বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করেন।
তথ্যসূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
গণিত বিষয়ের আরও প্রশ্ন