কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: মীর মশাররফ হোসেন
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা ‘বিষাদ সিন্ধু’ উপন্যাসের রচয়িতা- মীর মশাররফ হোসেন।
--------
• ‘বিষাদ সিন্ধু':
- মীর মশাররফ হোসেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু'।
- এর তিনটি খণ্ড হলো:
• মহররম পর্ব,
• উদ্ধার পর্ব ও
• এজিদ বধ পর্ব।
- বিষাদ সিন্ধু হিজরি ৬১ সালের কারবালার ঘটনাসহ ইমাম হাসান ও ইমাম হোসাইনের জীবন, শাহাদাত এবং এজিদের ষড়যন্ত্র ও সিংহাসন দখলের ইতিহাসকে ফুটিয়ে তোলে।
- প্রধান চরিত্র:
ইমাম হোসাইন,
ইমাম হাসান,
এজিদ,
সীমার ও
জয়নব।
----------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের প্রচলিত ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়া’।
- তিনি আরও যেসব ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন: গৌড়তটবাসী মশা, উদাসীন পথিক।
- তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।
- তাঁর নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• 'বসন্তকুমারী' ও
• 'জমিদার দর্পণ'।
• মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা হচ্ছে গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
- তার রচিত প্রহসন হচ্ছে: 'এর উপায় কি'।
উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন