মেধাবী
Toggle menu

সালের জাতীয় পরিষদে পূর্ব বাংলার জন্য কয়টি আসন বরাদ্দ ছিল?

সঠিক উত্তর
১৫০টি

বিস্তারিত ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

- পাকিস্তানের সংবিধান রচনার ক্ষেত্রে সংকট বিশেষ করে দুই অংশের মধ্যে বৈরিতা নিরসনকল্পে সােহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে (তখন তিনি মােহাম্মদ আলী বগুড়ার মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী) পশ্চিম পাকিস্তানের মারিতে উভয় অংশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সরকার, সংসদ, অর্থনীতি, প্রশাসন সর্বক্ষেত্রে সমান অংশীদারিত্বভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের বিধান সম্বলিত একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়, যা মারি চুক্তি (৭ই জুলাই ১৯৫৫) নামে পরিচিত।-
- এভাবে ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি সংবিধান পাস হয়।
- এতে ৩০০ আসন বিশিষ্ট একটি জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয় এবং সমতানীতি অনুযায়ী পূর্ববাংলার জন্য ১৫০টি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য ১৫০টি আসন নির্ধারণ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির নির্বাচনে বিজয়ের পথ তথা জাতীয় পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথ রুদ্ধ করা হয়।
- তবে সােহরাওয়ার্দী কেন্দ্রীয় সরকারের প্রথম আইনমন্ত্রী (১৯৫৪-১৯৫৫) এবং পরে প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৬-১৯৫৭) হিসেবে বাঙালিদের সার্বিক উন্নয়নে অনেক ক্ষেত্রে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিন্তু মুসলিম লীগ ও পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠী তা কখনােই ভালাে চোখে দেখেনি।
- ১৯৫৬ সালে শাসনতন্ত্র প্রণীত হওয়ার মাত্র ২ বছর ৬ মাসের মধ্যে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগােষ্ঠী কর্তৃক ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি করে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ বাতিল করা হয়। সকল ক্ষমতা আবার তাদের হাতে কুক্ষিগত হয়। এবার সামরিক জান্তা সরাসরি ক্ষমতা নেয়। এর প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান বিভিন্ন ফরমান জারি করে নাগরিকদের অধিকার একের পর এক কেড়ে নেন, সােহরাওয়ার্দী ও শেখ মুজিবসহ বিভিন্ন নেতাকে বন্দি এবং পরবর্তী নির্বাচনের জন্য সােহরাওয়ার্দীসহ অনেক রাজনৈতিক নেতাকে অযােগ্য ঘােষণা করা হয়।

উৎস: https://www.asiaticsociety.org.bd/

সকল অপশন

রেফারেন্স মাত্র

১৬৯টি
১৫০টি সঠিক
১৪১টি
১৪৪টি

প্রশ্ন তথ্য

বিষয়
বাংলাদেশ বিষয়াবলি
শ্রেণী
বিসিএস
মার্ক
1.00

অ্যাপে আরও ১ লক্ষ+ প্রশ্ন অনুশীলন করুন

বিনামূল্যে • ৪.৯★ রেটিং • ৫০K+ ডাউনলোড

ডাউনলোড করুন

মেধাবী অ্যাপ

বিনামূল্যে • ৪.৯★

ডাউনলোড