এক্স-রে: জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন। এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)। এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।
এক্স-রের ব্যবহার: - স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। - পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়। - এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। - রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। - দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
এক্স-রে সাধারনত ২ ধরনের হয় ১) কোমল এক্স-রে ২) কঠিন এক্স-রে