দিল্লির লালকেল্লা কে নির্মাণ করেছিলেন?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: শাহজাহান
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: শাহজাহান
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
দিল্লির লালকেল্লা:
• লালকেল্লা কমপ্লেক্স ভারতের পঞ্চম মুঘল সম্রাট শাহজাহানের নতুন রাজধানী শাহজাহানাবাদের প্রাসাদ দুর্গ হিসেবে নির্মিত হয়।
• লাল বেলেপাথরের বিশাল প্রাচীরের কারণে এর নামকরণ করা হয় ‘লালকেল্লা’।
• লালকেল্লা ১৫৪৬ সালে ইসলাম শাহ সুরি নির্মিত পুরোনো দুর্গ সেলিমগড়ের সংলগ্ন।
• লালকেল্লা ও সেলিমগড় একত্রে লালকেল্লা কমপ্লেক্স গঠন করে।
• ব্যক্তিগত কক্ষগুলো সারিবদ্ধ মণ্ডপ নিয়ে গঠিত।
• মণ্ডপগুলো ‘নহর-ই-বেহিশত’ (স্বর্গের স্রোত) নামক একটি অবিচ্ছিন্ন জলপথ দ্বারা সংযুক্ত।
• লালকেল্লাকে মুঘল সৃজনশীলতার শীর্ষবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
• শাহজাহানের শাসনামলে মুঘল স্থাপত্য নতুন মাত্রার পরিশীলন লাভ করে।
• প্রাসাদের পরিকল্পনা ইসলামিক স্থাপত্যশৈলীর ভিত্তিতে নির্মিত।
• প্রতিটি মণ্ডপে মুঘল স্থাপত্যের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
• লালকেল্লার স্থাপত্যে পারস্য, তৈমুরি ও হিন্দু ঐতিহ্যের সংমিশ্রণ দেখা যায়।
• লালকেল্লার উদ্ভাবনী পরিকল্পনা ও স্থাপত্যশৈলী পরবর্তী স্থাপত্যকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে।
• এর প্রভাব রাজস্থান, দিল্লি, আগ্রা এবং আরও দূরবর্তী অঞ্চলের ভবন ও বাগানের নকশায় প্রতিফলিত হয়।
উৎস: UNESCO.
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন