মেসোপটেমীয় সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর কোনটি?
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর হলো জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। বর্তমানে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ ভারতের দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট ও বালটিস্তান পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত।
আন্তর্জাতিক বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ সভ্যতা।
- এটি টাইগ্রিস (দজলা) ও ইউফ্রেটিস (ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- গ্রিক শব্দ Mesopotamia-এর অর্থ হলো "দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি"।
- বর্তমানে এই অঞ্চল প্রধানত ইরাকের অন্তর্ভুক্ত; এছাড়া তুরস্ক, সিরিয়া, ইরান ও কুয়েতের কিছু অংশও এর আওতায় পড়ে।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দ থেকে এখানে নগরসভ্যতার বিকাশ শুরু হয় এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জাতি ও রাজবংশের মাধ্যমে এই সভ্যতা সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা কোনো একক জাতির সৃষ্টি নয়; বরং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সভ্যতার ধারাবাহিক বিকাশের ফল।
১. সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমিয়ার প্রথম প্রধান সভ্যতা ছিল সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রাচীনতম লিপিগুলোর একটি কিউনিফর্ম (Cuneiform) লিপির উদ্ভাবন করে।
- তারা সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, চাকার ব্যবহার, চন্দ্রভিত্তিক পঞ্জিকা প্রণয়ন এবং 'গিলগামেশ' মহাকাব্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
২. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- সুমেরীয়দের পর ব্যাবিলনীয় সভ্যতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
- এই সভ্যতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ অবদান ছিল লিখিত আইনব্যবস্থার বিকাশ।
- রাজা হাম্মুরাবি তাঁর বিখ্যাত হাম্মুরাবির আইনসংহিতা (Code of Hammurabi) প্রণয়ন করেন, যা মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও সুসংগঠিত লিখিত আইনসংহিতা।
৩. অ্যাসিরীয় সভ্যতা:
- পরবর্তীতে টাইগ্রিস নদীর তীরে আশুর নগরকে কেন্দ্র করে অ্যাসিরীয় সভ্যতার উত্থান ঘটে।
- অ্যাসিরীয়রা ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী সামরিক জাতি।
- তারা লোহার অস্ত্রের কার্যকর ব্যবহার করে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে এবং প্রশাসন ও যুদ্ধকৌশলে অসাধারণ দক্ষতা অর্জন করে।
৪. ক্যালডীয় বা নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- অ্যাসিরীয়দের পতনের পর ক্যালডীয় বা নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- এই সময়ের বিখ্যাত শাসক ছিলেন রাজা নেবুচাদনেজার (দ্বিতীয়)।
- তাঁর শাসনামলে ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান নির্মিত হয়েছিল বলে প্রচলিত রয়েছে, যা প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি হিসেবে পরিচিত।
- ক্যালডীয়রা জ্যোতির্বিজ্ঞান ও সময় গণনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। সাত দিনের সপ্তাহের প্রচলন ও গ্রহভিত্তিক সময় গণনার বিকাশে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
উৎস: ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস (প্রথম পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রেফারেন্স মাত্র
আন্তর্জাতিক বিষয়ের আরও প্রশ্ন