নিচের কোনটি জীবনী সাহিত্য?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চৈতন্যমঙ্গল
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চৈতন্যমঙ্গল
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
রুখের তেন্তলি কুমীরে খাই’- এর অর্থ কি?
চর্যাপদের মহিলা কবি কুকুরীপা কর্তৃক রচিত ২ নং পদ “দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাঅ॥” এর বাংলা অর্থ হলো: কচ্ছপকে দোহন করা দুগ্ধ পাত্রে ধরে না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়৷
বাংলা বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
• জীবনী সাহিত্য - চৈতন্যমঙ্গল।
চৈতন্যদেবের জীবনী:
- চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনী লেখক হিসেবে মুরারি গুপ্ত কৃতিত্বের অধিকারী। 'মুরারি গুপ্তের কড়চা' নামে পরিচিত তাঁর কাব্যের প্রকৃত নাম, শ্রীশ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম। এটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিলো।
বাংলা ভাষায় রচিত শ্রী চৈতন্যদেবের প্রথম জীবনীকাব্য বৃন্দাবন দাস রচিত 'চৈতন্যভাগবত'। তাঁর কাব্য প্রথমত 'চৈতন্যামঙ্গল' নামে
পরিচিত ছিল। পরে এ কাব্যে ভাগবতের প্রভাব ও লীলা পর্যায় দেখে এর নাম চৈতন্যভাগবত রাখা হয়। কাব্যটির রচনাকাল সম্ভবত ১৫৪৮ সাল।
- শ্রীচৈতন্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ হলো লোচন দাসের 'চৈতন্য-মঙ্গল'৷
অন্যদিকে,
ধর্মমঙ্গল কাব্য:
- ধর্ম ঠাকুরের নাম যে মঙ্গলকাব্য সৃষ্ঠ হয়েছে তার নাম ধর্মমঙ্গল।
- ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার প্রথম কবি- ময়ূর ভট্ট। ময়ূর ভট্ট রচিত গ্রন্থটি হলো 'হাকন্দপুরাণ'।
- ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার শ্রেষ্ঠ কবি ঘনরাম চক্রবর্তী। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম শ্রীধর্মমঙ্গল।
জঙ্গনামা:
- জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধ বিষয়ক কাব্য।
- ফারসি 'জঙ্গ' শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর 'জঙ্গনামা' শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। অর্থ্যাৎ 'জঙ্গনামা' কাব্যের বিষয় যুদ্ধ-বিগ্রহ।
- বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে।
- তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি 'জঙ্গনামা' বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' স্বীকৃত।
- এ গ্রন্থের লেখক বড়ু চণ্ডীদাস।
- এটি বাংলা ভাষায় কোন লেখকের প্রথম এককগ্রন্থ।
- ১৯০৯ সালে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশজাত শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলা বিষয়ের আরও প্রশ্ন