সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা ও জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান যুক্ত করা হয়?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২য় সংশোধনী
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ২য় সংশোধনী
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা ও জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান যুক্ত করা হয়।
- এতে সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদে (২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২) সংশোধন আনা হয়। অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
• সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (দ্বিতীয় সংশোধনী) আইন ১৯৭৩, গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
- এই আইনের ফলে (১) সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়।
- (২) ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং (৩) সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।
অন্যদিকে,
• সংবিধানের প্রথম সংশোধনী বিষয়বস্তু: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান করা হয়।
• সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনী বিষয়বস্তু:
১। সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
২।উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি এবং সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।।
• সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনী বিষয়বস্তু: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা সংক্রান্ত একটি চুক্তি কার্যকর করা।।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন