বাংলাদেশে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চিংড়ি
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: চিংড়ি
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
সাদা সোনা বা ‘হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- বাংলাদেশে এক সময় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য ছিল চিংড়ি। দুঃখজনক, বিশ্ববাজারে চিংড়ির চাহিদা বাড়তে থাকলেও আমাদের এ খাতে রপ্তানি আয় কমে যাচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য হিসেবে তা এখন সাত নম্বরে এসে দাঁড়িয়েছে। বেশির ভাগ চিংড়ি উৎপাদন হয় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলা বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায়।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপাধি ও নাম:
- সাদা সোনা (White Gold): চিংড়ি।
- রুপালি সোনা (Silver Gold): ইলিশ।
- সোনালি আঁশ (Golden Fibre): পাট।
- সবুজ সোনা (Green Gold): চা বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বনজ সম্পদ।
উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT).
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন