জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৪৬ মি.
সঠিক উত্তর
সঠিক উত্তর: ৪৬ মি.
ভুল বা সঠিক হলে সাথে সাথেই ব্যাখ্যা সহ উত্তর দেখতে পারবেন।
কোনটিকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে?
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অক্সিজেন যোগান দেয়া বন আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। তেমনি বাংলাদেশের ফুসফুস বলা যেতে পারে সুন্দরবনকে। কারণ এক গবেষণার তথ্য মতে, সুন্দরবন আমাদের ২৪টি ইকোসিস্টেম সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো অক্সিজেন যোগান ও কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করা, উপকূলীয় এলাকা রক্ষা, সাইক্লোন-জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস, অফুরন্ত জীবন-জীবিকার উৎস ইত্যাদি।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ে ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
১০ মার্কের MCQ কুইজএই প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।
⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
রেফারেন্স মাত্র
বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের আরও প্রশ্ন